ডিজিটাল সেবা প্রদানে সেন্ট্রালাইজ ডাটাবেজের ভূমিকা


কবে যে আমাদের দেশে এমন ব্যাবস্থা হবে । যেখানে এক আইডেনটিটি দিয়ে ডিজিটাল ভাবে সরবোচ্চো সুবিধা গ্রহন করা যাবে। এই যে এত শত কোটি টাকা খরচ করে ডিজিটাল আইডেন্টি কার্ড করা হচ্ছে তাকে যদি আমার সরবোচ্চ ভাবে ব্যাবহার করতে না পারি তাহলে কি তা করার কোন মানে হয় ?

এস সব ব্যাপার নিয়ে আমার কিছু উন্মুক্ত চিন্তা ভাবনা আজ লিখছিঃ

সেন্ট্রালাইজ ডাটাবেজ কি ?

যেখানে তথ্য সংরক্ষিত রাখা হয় তাকে বলা হয় ডাটাবেজ । আর যখন একি ধরনের তথ্যকে বিভিন্ন জায়গায় আলাদা আলাদা সংরক্ষন না করে একটা বড় ডাটাবেজে সংরক্ষন করা হয় তখন তাকে সেন্ট্রালাইজ ডাটাবেজ বলে। সেন্ট্রালাইজ ডাটাবেজের সুবিধা হচ্ছে যখন ডাটাবেজ থেকে তথ্য গুলাকে ব্যাবহার করার প্রয়জন হয় তখন একি যায়গা থেক সব তথ্য পাওয়া যায়। নিচে আরো সুন্দর ভাবে এর সুবিধাগুলো আলোচনা করা হয়েছে ।

আমাদের দেশে সেবাগুলা কে ডিজিটালাইজ করার জন্য সব থেকে বড় একটা কাজ করতে হবে ডাটাবেজ নিয়ে। হ্যা ঠিকি শুনেছেন ডাটাবেজ নিয়ে । যখন আমাদের শক্তিশালী এবং নির্ভুল ডাটাবেইজ থাকেবে তখন অন্যন সেবাগুলো কে ডিজিটালাইজ করতে ৫০% সহজ হয়ে যাবে। আমি শক্তিশালী এবং নির্ভুল ডাটাবেইজের কথা কেন বলছি ? আমদের দেশে কি ডাটাবেইজ ব্যাবস্থা নাই ? হ্যা আছে কিন্তু আমার দেখা মতে সেটা সবেচেয় বাজে একটা ডাটাবেইজ আমি মনে করি । তার বাস্তব প্রামান আপনাদের নিজেদের জাতীয় পরিচয় পত্র। যেখানে ৭০% কার্ডেই আপনার নাম না হয় আপনার বাবার নাম না হয় আপনার মায়ের নাম না হয় ঠিকান কোন না কোন একটা কিছু ভুল আছেই । সেই জন্যই আমি বললাম শক্তিশালী একটা ডাটাবেজের কথা।

ক্যামন হতে পারে শক্তিশালী ডাটাবেইজঃ

এখানে একেবারে শুরু থেকেই বিস্তারিত বলি। আমাদের দেশের এখন জন্ম নিবন্ধন এর তত্য ডিজিটালি সংরক্ষন করা হয় । তো আমাদের শুরু টা হতে পারে সেখান থেকেই । আমি যতদুর জানি জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্টেশন করলে কোন টাকা পয়সা লাগে না । আরো বিস্তারিত পাবেন এখানে ( যায় হোক তাদের সাইট নিয়ে কোন কথা হবে না   ।

তো আমাদের এখন যে ব্যাবস্থাটা আছে ১৮ বছর + হলে জাতীয় পরিচয় পত্র দেয় । কেন ১৮+ না হলে কি সে এই দেশের নাগরিক না ? যায় হোক নাগরিক কিনা সেইটা নিয়ে আমি লিখছি না । আমি যা বলতে চাচ্ছিলাম এই যে সরকার প্রতি বছর নির্বাচন কমিশনের মাধ্যামে মহরা করে ভোটার নিবন্ধন করছে তার পর ডিজিটাল পরিচয় পত্র দিচ্ছে । ( যদি ও আমার এই ব্যাপারে শুনে আসছি গত প্রায় ৪-৫ বছর ধরে কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার মনে হয় ৫০% মানুষকে ও ডিজিটাল কার্ড হাতে পৌছায়ে দিতে পারেনাই   । আমাদের তো একবারে এত ঝামেলা করার দরকার নাই । জন্ম দিবন্ধনের পরেই ১-২ মাসের মধ্যে একটা ডিজিটাল কার্ড তৈরী করে ফেলা হোক যেখানে একটা নাগরিকের ডিটেইলস থাকবে । আর হ্যা এখানে সবচেয় বড় যে ব্যাপার সেটা হলো সব কিছুর জন্য সেন্ট্রালাইজ একটা ডাটাবেইজ থাকতে হবে । আর সকল ক্ষেত্রেই সেইটা ব্যাবহার করতে হবে । হ্যা তাহলে যেটা বলছিলাম জন্ম নিবন্ধনের সময় ই বাচ্চার সকল তথ্য জমা হবে ঐ সেন্ট্রালাইজ ডাটাবেইজে ।

এর পর যখন ঐ বাচ্চা স্কুলের ভর্তি হতে যাবে স্কুল তাদের মেশিনি যাস্ট বাচ্চাটার ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে তার পার্সোনাল ইনফমেশন নিয়ে নিয়ে এবং ডাটাবেজ নতুন একটা টেবেইল যুক্ত হবে তার শিক্ষা ব্যাবস্তার জন্য । এই ভাবে আগাতে থাকবে ।ঐ সেন্ট্রালাইজ ডাটাবেইজ ব্যাবহাহার করবে হস্পিটাল, শপিংমল , রেলস্টেশন, থানা, পাসপোট অফিস , বি আর টি অফিস এক কথাই প্রায় সব অধিদপ্তর । এর পর আপনি আমি যখন যে সেবা নিতে যাব তখনি ঐ সেবা প্রথিষ্ঠান গুলাই যাস্ট আমাদের পরিচয় পত্রের এক্সেস করের তথ্য নিতে পারবেন ।

আর এই ভাবে চলতে থাকলে যখন ঐ বাচ্চার বয়স ১৮ + হবে তখন তার তত্য গুলা অট্ম্যাটিক্যালি নিরবাচন কমিশনের কাছে চলে যাবে বা নিরবাচনের জন্য নতুন একটা টেবিল তৈরী করা হবে । আর যদি নতুন কোন তত্যের দরকার হয় সেটা সংগ্রহ করবে । তবে আমার মনে হয় না ডাটাবেইজ সেন্ট্রালাইজ হলে নতুন কোন তথ্যের দরকার হবে কারন সব তথ্য অটো আপডেটেড থাকবে । তাহলে তাকে আর নতুন করে কার্ড দেওয়ার প্রয়োজন ও হলো না আর ঝামেলা ও হলো না ।

এমন আরো অনেক কিছুই সম্ভব কিন্তু যেই খান থেকে চিন্তা করার দরকার সেইখানে চিন্তা করার লোক নাই । যারা আছে তার সবাই হিসাব করার লোক ( বুদ্ধি থাকলে বুঝে নেন ) । খুব খুব খুব দুঃখ লাগে   আমাদের মত ছোট মাথাই এই ব্যাপার গুলা এত সহজ ভাবে কাজ করলে যারা রষ্ট্র পরিচালনা করে তাএর মত বড় মাথাই কেন ঢোকে না  


Leave a Reply

Your email address will not be published.